মাম্পি রায়, সাংবাদিক : সোনারপুরে নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরও সেসব উপেক্ষা করে হেলমেট পরে সোনারপুরে নিহত কর্মীর বাড়িতে পৌঁছন অভিষেক।

তৃণমূল নেতাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন মানুষজন। দেখানো হয় কালো পতাকা। চোর স্লোগানের পাশাপাশি ধাক্কাধাক্কিও করা হয়। অভিষেককে লক্ষ্য করে ডিম, কাদা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভের মুখে পড়ে ছিঁড়ে গিয়েছে তৃণমূল সাংসদের জামাও। প্রবল বিক্ষোভের মুখেও পালিয়ে যাননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ডিম, কাদা ইট থেকে বাঁচাতে হেলমেট পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় অভিষেককে। একসময় হেলমেট খুলে অভিষেককে মারধর করতেও দেখা গিয়েছে ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের মধ্যে একাংশের।

অবশেষে নিরাপত্তায় ঘিরে বাইকে করে নিহত কর্মীর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয় অভিষেককে। ঘরে ঢুকে নিহত কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। সেইসময়ও বাড়ির বাইরে জুতো, ঝাঁটা নিয়ে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, আজকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেতে হলে, তাঁদেরকে জবাব দিয়ে যেতে হবে। সবমিলিয়ে প্রবল জনরোষের মুখে পড়তে হয় তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডকে।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, “যতক্ষণ না পুলিশ আসবে, সেখানেই থাকবেন তিনি। বিজেপি পরিকল্পনামাফিক এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।”
ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “কারোর ক্ষোভ থাকতেই পারে কিন্তু এধরণের ঘটনা কখনই কাম্য নয়। “