
তৃণমূল নেতা মন্ত্রী দেখলেই কানে বাজছে ওই গানটা আও শোনাও আন্ডে কি ফাণ্ডা। না না এ আমাদের কথা নয় অতি উৎসাহীদের কথা, যারা এখন দিনে দুপুরে ডিম নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাঁদের কথা বলছি। যদিও তৃণমূলের দাবি বিজেপি কর্মীরাই এই ঘটনা ঘটাচ্ছেন। এই ডিম থেরাপি থেকে কেউই বাদ যাচ্ছেন না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে কুণাল ঘোষ সহ দলের অনেক নেতাকেই সহ্য করতে হচ্ছে এই নয়া থেরাপি। কেউ হাসি মুখে ডিম মাখছেন কেউ আবার সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন।
এবার ডিম হামলার মুখে পড়তে হল তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি মিটিং করতে গিয়ে কী বিপাকে পড়তে হল মহুয়া মৈত্রকে দেখলে অবাক হবেন। তাঁকে লক্ষ্য করে তিনতলাতেও ধেয়ে আসছে ডিম। তাও আবার পুলিশের সামনে। বুধবার কালীগঞ্জে বৈঠক করতে গিয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। তাঁকে ডিম দিয়ে বরণ করতে বিল্ডিংয়ের নীচে জড়ো হয় বহু মানুষ। পুলিশকেও তোয়াক্কা করলেন না বিক্ষোভকারীরা। মহুয়া মৈত্রকে লক্ষ্য করে ধেয়ে এল একের পর এক ডিম। আর তা লাইভে এসে ধারাভাষ্য সহকারে বর্ণনা দিলেন তৃণমূলের এই সাংসদ।
অনেকে বলছেন বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া অপরাধ। কিন্তু কে শোনে কার কথা। পুলিশ আইন আদালত সব মাথায় তুলে ডিম নিয়ে যেন মজার খেলায় নেমে পড়েছেন কেউ কেউ। যার বিরুদ্ধে যত রাগ তার দিকে ডিম ছুঁড়ে যেন সেই রাগ উসুল করার চেষ্টা চলছে। মহুয়া মৈত্র তার ব্যতিক্রম নয়। তিনিও হুমকি, ধমকি, এমনকি সুপ্রিম কোর্টের ভয় দেখিয়েছেন ডিম থেরাপি নিয়ে। কিন্তু তাতেও কাজের কাজ হচ্ছে না। এই থেরাপি যে কতদিন চলবে তা ঈশ্বর জানেন। নিন্দুকেরা বলছেন, বর্ষায় যেমন ছাতা নিয়ে বের হতে হয় তেমনি তৃণমূলের নেতা মন্ত্রী এবার বর্ষাতি পড়ে বের হন তাহলে হয়তো ডিমের দাগ গায়ে লাগা থেকে বেঁচে যাবেন।