মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে মঙ্গলবার বিকেলে সিআইডির গুলিতে মৃত্যু হল খুনের মামলায় অভিযুক্ত সামাউন শেখ। তদন্ত চলাকালীন বাধা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করায় তাঁকে গুলি করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। ফরাক্কার ঘোড়াইপাড়ার বাসিন্দা সামাউন শেখ প্রায় দু’মাস আগে ধুলিয়ানের বিজেপি নেতা সুজিত মণ্ডল খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেফতার হয়েছিলেন। সেই মামলায় তিনি জেল হেফাজতে ছিলেন। তদন্তের সময় ঠিক কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি। পরপর এনকাউন্টারে অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

সুজিত মণ্ডল খুনের ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। হত্যার পর থেকে তাঁর দেহের কোনও সন্ধান মেলেনি। গঙ্গার তীর থেকে উদ্ধার হয়েছিল দেহের একটি অংশ, যা তদন্তকে আরও জটিল করে তোলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মুর্শিদাবাদ জেলায় পুলিশ প্রশাসনের একাধিক স্তরে রদবদল করা হয়।
এই ঘটনায় তদন্তে নেমে পুলিশ সামাউন শেখ-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়। ধৃত তিনজনই জেল হেফাজতে ছিলেন। মঙ্গলবার তদন্তের প্রয়োজনে সামাউনকে ধুলিয়ান বাজারের কাছে ডাকবাংলো মোড়ে নিয়ে গিয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেখানেই ঘটে যায় গুলির ঘটনা। কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানো হয়েছিল, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসার অপেক্ষা। ঘটনাটি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদে। উল্লেখ্য মঙ্গলবার সকালেই এনকাউন্টারে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় গাইঘাটার অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের।পরপর এনকাউন্টারে অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।