একদিকে অসন্তোষের ছবি। উঠে আসছে ক্ষোভের ছবি। না পাওয়ায় রাগ। অন্যদিকে কড়া হাতে ব্যবস্থা। ১২ ঘন্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ। জলপাইগুড়ির ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য।

কোনও আশা কর্মী। আবার কোনোও আইসিডিএস কর্মীও পেয়েছেন অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা। পাড়ায় পাড়ায় উঠে আসছে এরকম অভিযোগ। কিন্তু প্রাপ্যরা নাকি অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বাদ চলে যাচ্ছেন। অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি কোনও টাকা। তারপরেই বিক্ষুব্ধ মহিলারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। স্বরূপনগর বিডিও অফিসে উঠে আসে এই বিক্ষোভের ছবি
একই ধরণের ছবি উঠে আসে ধূপগুড়িতেও। বিভিন্ন ওয়ার্ডের মহিলারা অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম নথিপত্র সহ জমা দিয়েছিলেন ধূপগুড়ি পুরসভায়। কিন্তু জুলাই মাসের এক তারিখ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকলেও অভিযোগ, এই পুরসভাতে আবেদন জমা দেওয়া উপভোক্তাদের টাকা ঢুকেনি। এতেই মহিলারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পুরসভাতে মহিলাদের ভিড় উপচে পড়ে।সেই সময় পুরসভাতে ধূপগুড়ির বিধায়ক নরেশ চন্দ্র রায় উপস্থিত ছিলেন। তাকে ঘিরেও চলে মহিলাদের বিক্ষোভ। কি কারণে তাদের ফর্ম পোর্টালে আপলোড হয়নি, তার কারণ জানতে চান মহিলারা।

এই ঘটনার পরই , ধূপগুড়ি পুরসভাতে দেখা গেল কড়া পদক্ষেপ। অন্নপূর্ণা যোজনার কাজে গাফিলতির অভিযোগে ৩২ জন পুর কর্মচারীদের শোকজ মহকুমা শাসকের। অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম সময় মতো সরকারি পোর্টালে আপলোড হয়নি। ঘটনায় পুরসভার ৩২ জন কর্মীকে শোকজ করে মহকুমা শাসক। ১২ ঘন্টার মধ্যে শোকজের কারণ দর্শাতে বলা হয়। ঘটনায় কর্মী মহলে ব্যাপক আলোড়ন পড়ে যায়।
জানা যায় যেসব কর্মী সরাসরি এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাদের শোকজ করা হয়। বিশেষত যাদের ফর্ম যাচাই করার দায়িত্ব ছিল, তাদের ওপরই দায়ভার চাপানো হয়। প্রতি ওয়ার্ডে দুইজন পুর কর্মচারী নিয়োগ করা হয়েছিল। এদিন শোকজের চিঠিতে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সম্পন্ন না করা এবং কাজে গাফিলতির অভিযোগ আনা হয়। শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের শোকজের উত্তর জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। যদি শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হয় তবে নিয়ম অনুযায়ী উপযুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে শোকজ নোটিশকে ঘিরে তীব্র অসন্তোষ। একাধিক কর্মীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা সংবাদ মাধ্যমকে কোনো বক্তব্য দিতে চাননি।