Patna, Aug 19 (ANI): Bihar Assembly LoP and RJD National Working President Tejashwi Yadav interacts with the media during the 'Lok Bhavan March' against the Bihar government, protesting issues such as paper leaks, unemployment, irregularities in recruitment, and police firing with AK-47 during student protests, in Patna on Wednesday. (ANI Photo)
বিহারে ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের একে-৪৭ ব্যবহারের প্রতিবাদে আরজেডির মিছিল ঘিরে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল পটনা। রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)-র রাজভবন অভিযানে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে আটক হলেন বিহারের বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামানও ব্যবহার করে। ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজ্যে।

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে গত মাসে সিওয়ানে ছাত্রদের বিক্ষোভে এক পুলিশকর্মী একে-৪৭ থেকে গুলি চালিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্ত এবং সরকারের কাছে জবাবদিহির দাবিতেই এ দিন রাজভবন অভিযান করে আরজেডি। দলের সাংসদ, বিধায়ক এবং শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বিপুল সংখ্যক কর্মী প্রথমে জেপি গোলম্বর এলাকায় জমায়েত হন। সেখান থেকে মিছিল করে রাজভবনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন তাঁরা।
অভিযানের সময় পুলিশ তেজস্বীকে আটক করলে তাঁর গাড়ির ছাদে উঠে পড়েন বহু আরজেডি কর্মী-সমর্থক। বিক্ষোভে এক জনের হাতে একে-৪৭-এর প্রতীকী মডেলও দেখা যায়।

আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে তেজস্বী বলেন, ছাত্রদের ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তাঁদের লড়াই চলবে। প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ করা, পরীক্ষায় স্বচ্ছতা এবং বেকারত্ব কমানোর দাবিও তোলেন তিনি। পুলিশের জলকামান নিয়েও সরব হয়ে তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
আরজেডি সাংসদ মিসা ভারতীও মিছিলে যোগ দেন। তাঁর দাবি, সিওয়ানের ঘটনায় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে একে-৪৭ ব্যবহারের কথা বিহার সরকার সুপ্রিম কোর্টে স্বীকার করেছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি কে দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২৫ জুলাই সিওয়ানে নেট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে ছাত্র বিক্ষোভের সময় এক পুলিশকর্মীর হাতে একে-৪৭ দেখা যায় বলে একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়েছিল। পরে ওই পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, গুলিতে কেউ আহত হননি এবং বিক্ষোভে গুলি না চালানোর স্পষ্ট নির্দেশ ছিল।
আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা বলেন, প্রশ্নফাঁস ও বেকারত্ব নিয়ে দেশের যুবসমাজের ক্ষোভ বাড়ছে। এ দিন রাজ্যপালের কাছে ছাত্র ও যুবকদের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা ছিল আরজেডির।