বিশ্বজিৎ মণ্ডল, নিজস্ব সংবাদদাতা : “সব থেকে বড় ওয়াকফ চোর ফিরহাদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস ওয়াকফ সম্পত্তির ওপর, চোরের রানী বসে রয়েছেন নবান্নে”। মালদার চাঁচলে কর্মীসভায় প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে এই ভাবেই তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।

সব থেকে বড় ওয়াকফ চোর ফিরহাদ হাকিম। অভিষেক ব্যানার্জির ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস ওয়াকফের জমিতে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের ওয়াকফ আইন মেনে নিয়েছেন। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাতে কর্মীসভার মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্য মঞ্চে এই ভাবেই তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ শানালেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। মালদার চাঁচল বিধানসভার ভেবাতে কর্মীসভা করে আইএসএফ। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নওশাদ সিদ্দিকী। সম্পূর্ণ বক্তব্যতেই তিনি কার্যত তুলোধনা করেন রাজ্য সরকারকে। কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকেও তোপ দেগে নওশাদের অভিযোগ মুসলমানদের মসিহা সেজে সব থেকে বেশি ওয়াকফ সম্পত্তি দখল করে রেখেছেন ফিরহাদ হাকিম। এমনকি ক্যামাক স্ট্রিটে যে অফিসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বসেন। সেটাও ওয়াকফ সম্পত্তির উপরেই। রাজ্য সরকারকে নিশানা করে তিনি বলেন যদি তিনি মিথ্যা কথা বলে থাকেন, তবে রাজ্য সরকার মামলা করুক। এমনিতেও কুড়িটি মামলা দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আইএসএফ বিধায়কের এই বক্তব্য সামনে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের দাবি বিভাজনের রাজনীতি করে বিজেপিকে অক্সিজেন দিচ্ছে আইএসএফের মতো দলগুলি। বাংলার মানুষ সবই বোঝেন। যদিও তৃণমূল মুখে দাবি করলেও মালদার মতো জেলায় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত চাঁচল বিধানসভায় নির্বাচনের প্রাক্কালে মিম, আইএসএফের মতো দলের উত্থান যে তাদের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তা বলাই বাহুল্য।