দলত্যাগী সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে জমা দেওয়া আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি না হলে এ বার সুপ্রিম কোর্টে যেতে চলেছে কালীঘাট তৃণমূল। সূত্রের খবর, আরও এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন অপেক্ষা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। তার মধ্যে স্পিকার কোনও সিদ্ধান্ত না নিলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে তৃণমূলের ওই শিবির।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/06/05/mamata-kalighat-meeting-low-attendance-tmc-damage-control-mlas-mps-2026-06-05-20-35-08.jpg)
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন দেখা দিয়েছে বলে দাবি কালীঘাট শিবিরের। তাদের অভিযোগ, লোকসভায় তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত ২০ জন সাংসদ দল ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)-তে যোগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁরা এনডিএ-কে সমর্থন করছেন বলেও অভিযোগ। ওই সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে পৃথক ভাবে ২০টি আবেদন স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু প্রায় তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেই আবেদনের বিষয়ে স্পিকার কোনও সিদ্ধান্ত নেননি বলে অভিযোগ তৃণমূলের। বুধবার অভিষেকের নেতৃত্বে কালীঘাট শিবিরের সাংসদেরা স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দ্রুত আবেদনের নিষ্পত্তির দাবি জানান। পাশাপাশি লোকসভায় তৃণমূল সাংসদদের আসন পিছনের সারিতে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও তোলা হয়।

স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের পর অভিষেক বলেন, ‘‘গত মাসের ২২-২৩ তারিখ নাগাদ আমরা অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছিলাম। তিন সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। আমরা আদালতে যেতে পারি।’’
দলত্যাগ সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে স্পিকারকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্ট অতীতে তিন মাসের সময়সীমার কথা বলেছিল। সেই সময়সীমা এখনও শেষ হয়নি। তবে অভিষেকরা এত দিন অপেক্ষা করতে নারাজ। সূত্রের খবর, আগামী ৭-১০ দিনের মধ্যেও কোনও সিদ্ধান্ত না এলে সরাসরি শীর্ষ আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।