নভেম্বরের শুরুতেই ফের দাম বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের। রবিবার থেকে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়েছে।এক মাসের ব্যবধানে ফের দাম বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের। কত টাকা বাড়ল? জেনে নিন বিস্তারিত।

এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে নতুন দাম হয়েছে ২,৮২০ টাকা। এর আগে ১ অক্টোবর এই সিলিন্ডারের দাম ছিল ২,৮১০ টাকা। অর্থাৎ, এক মাসের ব্যবধানে ফের দাম বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের।গত তিন মাস ধরে পরপর বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ছে। উৎসবের মরশুমে এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সমস্যায় পড়তে পারেন হোটেল, রেস্তরাঁ, খাবারের দোকান এবং অন্যান্য ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে, নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে ৫ কেজির ফ্রি ট্রেড এলপিজি (FTL) সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ১,৯০৩ টাকা। আর ৫ কেজির সিলিন্ডার পুনরায় ভরাতে খরচ হবে ৭৮২ টাকা।গত তিন মাস ধরে পরপর বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ছে। উৎসবের মরশুমে এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সমস্যায় পড়তে পারেন হোটেল, রেস্তরাঁ, খাবারের দোকান এবং অন্যান্য ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে, নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে ৫ কেজির ফ্রি ট্রেড এলপিজি (FTL) সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ১,৯০৩ টাকা। আর ৫ কেজির সিলিন্ডার পুনরায় ভরাতে খরচ হবে ৭৮২ টাকা।
২০২৬ সালে এলপিজির দামে বারবার বড়সড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। মূলত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধের উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে গ্যাসের দামে। চলতি বছরের ১ মে এক ধাক্কায় বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম প্রায় ১,০০০ টাকা বেড়েছিল। ফলে দিল্লিতে ১৯ কেজির সিলিন্ডারের দাম বেড়ে প্রায় ৩,০৭১ টাকা ৫০ পয়সা হয়েছিল।এরপর জুলাই ও অগস্ট মাসে পরপর দু’বার দাম কমানো হয়। সব মিলিয়ে সিলিন্ডার পিছু ৩৮০ টাকা কমায় তেল বিপণন সংস্থাগুলি। ফলে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিলেন বাণিজ্যিক গ্যাস ব্যবহারকারীরা।
তবে উৎসবের মরশুম শুরু হতেই ফের দাম বাড়তে শুরু করে। ১ সেপ্টেম্বর সামান্য দাম বাড়ানোর পর ১ অক্টোবর সিলিন্ডার পিছু ৬৫ টাকা বাড়ানো হয়। এরপর ১ নভেম্বর ফের ১০ থেকে ১৭ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে বিভিন্ন শহরে। ফলে দিল্লিতে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়েছে ২,৮২০ টাকা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৬ সালে গ্যাস ও জ্বালানির দাম বাড়ার অন্যতম কারণ হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা। মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও এলপিজি এই সমুদ্রপথ দিয়ে বিভিন্ন দেশে পৌঁছয়। কিন্তু এই এলাকায় সংঘাত এবং জাহাজ চলাচলে বাধার কারণে জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে।
ভারত নিজের প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক গ্যাস ও এলপিজির প্রায় অর্ধেক বিদেশ থেকে আমদানি করে। এর বড় অংশই আসে উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তার ঝুঁকি এবং নানা বাধার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির সরবরাহ কমেছে। পাশাপাশি জাহাজ পরিবহণের খরচও বেড়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও চড়া রয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল পিছু ১১০ ডলারের উপরে। সৌদি আরামকোর নির্ধারিত চুক্তির দামও বেশি থাকায় দেশের বাজারে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম এখনও উঁচু রয়েছে। সামান্য ওঠানামা হলেও দ্রুত দাম কমার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে।