New Delhi, Jul 25 (ANI): [File Photo] Union Minister Dharmendra Pradhan officially resigns from his post as Education Minister, in New Delhi on Saturday. (ANI Photo)
দেশজুড়ে নিট-সহ বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক চাপের মধ্যেই শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে তিনি জানান, চলমান পরিস্থিতিকে কোনও ‘দেশবিরোধী শক্তি’ যেন কাজে লাগাতে না পারে এবং ছাত্রদের ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় আটকে না পড়ে, সেই লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এক্স-এ প্রকাশিত চিঠিতে ধর্মেন্দ্র লেখেন, “দেশের ঐক্য অটুট থাকা উচিত। ভারতের প্রতিটি ছাত্রের ভবিষ্যৎ যেন অনিশ্চয়তার মধ্যে না পড়ে।” তাঁর কথায়, গত কয়েক দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে ব্যথিত করেছে। তবে বিষয়টি তাঁর ব্যক্তিগত সম্মানের নয়, বরং দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি।
নিট-ইউজি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে নিজের অবস্থানও স্পষ্ট করেছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর দাবি, ৩ মে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পরই কেন্দ্র তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়, পরীক্ষা বাতিল করা হয় এবং পুনরায় পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁর বক্তব্য, প্রথম দিন থেকেই তিনি পরিস্থিতির দায় স্বীকার করেছিলেন এবং কোনও মেধাবী ছাত্র যেন বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই সরকার পদক্ষেপ করেছে।
চিঠিতে তিনি আরও জানান, ২১ জুন দুই কোটিরও বেশি পরীক্ষার্থীর জন্য আবার সফলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে রাজ্য সরকার, জেলা প্রশাসন, অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের সহযোগিতায়। পাশাপাশি আগামী বছর থেকে নিট-ইউজি সম্পূর্ণ কম্পিউটার-ভিত্তিক (সিবিটি) পদ্ধতিতে নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ধর্মেন্দ্র লেখেন, তাঁর নেতৃত্বে দেশসেবার সুযোগ পাওয়া জীবনের বড় প্রাপ্তি। অন্যদিকে, সূত্রের খবর, প্রশ্নফাঁস রুখতে কেন্দ্র শীঘ্রই কঠোর আইন আনতে চলেছে। সেই আইনে বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত, বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এবং পরীক্ষায় অনিয়ম দমনে একাধিক কড়া বিধান রাখার প্রস্তুতি চলছে।