New Delhi, Oct 12 (ANI): Cockroach Janta Party (CJP) Co-convenor Saurav Das and spokesperson Ashutosh Ranka interact with the media as they arrive at Parliament Street police station to seek permission to protest at the Jantar Mantar, in New Delhi on Monday. (ANI Photo/Neeraj)
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে দিল্লির রাজপথে বিরোধীদের আন্দোলনের প্রস্তুতি, তার মধ্যেই যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি চেয়ে দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সোমবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় গিয়ে বিক্ষোভের দিনক্ষণ নির্ধারণের দাবি জানান দলের কর্মীরা। পুলিশের তরফে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব না এলে পরবর্তী পদক্ষেপ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সিজেপি নেতারা।

সোমবার থানায় পৌঁছে সিজেপি কর্মী সৌরভ দাস বলেন, সাধারণত বিক্ষোভের জন্য অন্তত ১০ দিন আগে পুলিশের কাছে আবেদন করতে বলা হয়। এ বার বিক্ষোভের দিন এবং সময় ঠিক করার দায়িত্ব পুলিশের হাতেই ছেড়ে দিতে চাইছেন তাঁরা। সৌরভের কথায়, ‘‘আমরা পুলিশকে বলছি, যন্তরমন্তরে বিক্ষোভের দিন এবং সময় তারাই ঠিক করে দিক। আমরা ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দিচ্ছি।’’
দলের আর এক কর্মী আশুতোষ রাঙ্কাও একই সুরে বলেন, যন্তরমন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের জন্য দিল্লি পুলিশের কাছে দিনক্ষণ জানতে চাওয়া হবে। পুলিশের কাছ থেকে ইতিবাচক উত্তর পাওয়ার আশা করছেন তাঁরা। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনও জবাব না মিললে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার প্রতিবাদে সোমবারই দিল্লিতে পথে নামার পরিকল্পনা করেছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর ডাকে কনট প্লেস থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত মিছিল করার কথা বিরোধী সাংসদদের। সমাজমাধ্যমে রাহুল লিখেছেন, ‘‘গণতন্ত্রের জন্য মিছিল। ন্যায়ের জন্য মিছিল। চলো দিল্লি।’’
নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিরোধীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকের আবেদন জানানো হলেও তাতে সম্মতি মেলেনি বলে দাবি বিরোধীদের। তা সত্ত্বেও কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এই আন্দোলন নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকও করার কথা রাহুলের।
বিক্ষোভ ও মিছিল ঘিরে সোমবার মধ্য দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। বারাখাম্বা রোড ও মান্ডি হাউসের কাছে মোতায়েন রয়েছেন পুলিশকর্মীরা। দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি ব়্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স এবং কেন্দ্রীয় রিজ়ার্ভ পুলিশ বাহিনীকেও মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে দুপুর ৪টে পর্যন্ত কয়েকটি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বাহিরপথ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে রাজধানীতে রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ঘিরে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতা, দুই-ই তুঙ্গে।