বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তার একটি বড় প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। বিশেষ করে গুগল সার্চ ট্রেন্ডে নরেন্দ্র মোদী বা অমিত শাহের মতো হেভিওয়েট নেতাদের তুলনায় তাঁর সম্পর্কিত অনুসন্ধান বেড়ে যাওয়া বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

এই প্রবণতার পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ :
সার্চ ট্রেন্ড কেন বাড়ছে?
আঞ্চলিক প্রভাব: তৃণমূল কংগ্রেসের ‘দিদিকে বলো’ বা ‘দিদিকে চাই’ এর মতো প্রচারগুলো ডিজিটাল স্তরে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তৃণমূল সুপ্রিমোর জনপ্রিয়তা কেবল ভোটবাক্সে নয়, সার্চ ইঞ্জিনগুলোতেও তাঁর সক্রিয় উপস্থিতির প্রমাণ দিচ্ছে।
সাম্প্রতিক ইস্যু: রাজ্যের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকে তুঙ্গে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে সার্চের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
ব্যক্তিত্বের আকর্ষণ: জাতীয় রাজনীতিতে মোদী-শাহের প্রভাব অনস্বীকার্য হলেও, বাংলার প্রেক্ষাপটে মমতার নিজস্ব আবেগ এবং লড়াইয়ের ইতিহাস ভোটারদের মধ্যে এক বিশেষ কৌতূহল তৈরি করে।
’দিদিকে চাই’ বার্তার তাৎপর্য
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গুগল সার্চের এই পরিসংখ্যান কেবল তথ্যের অনুসন্ধান নয়, বরং এটি জনমানসে উৎসাহ এবং আগ্রহ তৈরি করেছে। যখন কোনও নেতার নাম সার্চ ইঞ্জিনে শীর্ষস্থানে থাকে, তখন বোঝা যায় যে মানুষ তাঁর কথা শুনছেন বা তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আগ্রহী।
বিজেপি বনাম তৃণমূলের এই ডিজিটাল দ্বৈরথ আসন্ন দিনগুলোতে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ডিজিটাল যুগে ভোটারদের মন বুঝতে এই ধরনের সার্চ ট্রেন্ড এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।