মিলন কর্মকার, নিজস্ব সংবাদদাতা: রীতি মেনে মা সারদার পবিত্র জন্মস্থান জয়রামবাটির মাতৃমন্দিরে আজ হল কুমারী পুজো। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকার তিথি ধরে সকালে এই পুজো শুরু হয়। মাতৃমন্দিরের এই কুমারী পুজো দেখতে ভিড় জমান রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ।

‘সবার মঙ্গল হোক’ মা সারদা এমন কথাই বলতেন ভক্তদের উদ্যেশ্যে । তাঁর আশীর্বাদ ও ভালোবাসা তাঁর সকল সন্তানের মধ্যে সবসময় থাকবে বারে বারে বিশ্বজননী মা সারদা তাঁর ভক্তদের বলতেন। শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেব স্ত্রী সারদাকে জগত জননী, শক্তিরূপে আরাধনা করেছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন মা সারদা সাধারন মা নন তিনি সাক্ষাত দুর্গা। সেই বিশ্বজননী জগতজননী মা সারদার জন্মভিটে জয়রামবাটিতে দুর্গাপুজা শুরু হয় ১৯২৫ সালে। মাতৃমন্দিরে ঘটে পটে শুরু হয় দেবী দুর্গার আরাধনা। প্রায় ৭ বছর পর মূর্তি নির্মান করে ধুমধাম করে দেবী দুর্গার আরাধনা শুরু হয়।

এখানে পুজো হয় বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে বিধি ও তিথি মেনেই দেবী আরাধনা হয় মাতৃমন্দিরে। দীর্ঘদিনের রীতি মেনে এবারও অষ্টমীতে সকালে তিথি মেনে শুরু হল কুমারী পুজো । এবার কুমারী রূপে পুজিতা হল সৃজিতা ভট্টাচার্য । বয়স সাড়ে পাঁচ বছর। বাড়ি জয়পুর ব্লকের ডিহা গ্রামে। এদিন কুমারী পুজোর আগে মায়ের পুরানো বাড়ি থেকে কুমারী কে দুর্গা রূপে সাজিয়ে মাতৃমন্দিরে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কুমারীকে দেবী রূপে চলে পুজা অর্চনা। জয়রামবাটির এই কুমারী পুজো দেখতে শুধু জয়রামবাটি নয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন মাতৃ মন্দিরে।