উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের একটি বিশেষ এমপি/এমএলএ আদালতে সোমবার, ২৬ অক্টোবর, হাজির হতে পারেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মানহানির মামলায় ওই দিন আদালত রায় ঘোষণা করতে পারে।২০১৮ সালে কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে একটি সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ২০২৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর তাঁকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।তৎকালীন বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি বিজয় মিশ্র এই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বিজয় মিশ্র বলেন, “ঘটনাটি যখন ঘটে, তখন আমি বিজেপির সহ-সভাপতি ছিলাম।

বেঙ্গালুরুতে রাহুল গান্ধী অমিত শাহকে খুনি বলে অভিযোগ করেছিলেন। এই কথা শুনে আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। আমি ৩৩ বছর ধরে দলের কর্মী। তাই আইনজীবীর মাধ্যমে অভিযোগ দায়ের করি। প্রায় পাঁচ বছর ধরে এই মামলা চলছে। আজ এই মামলার রায় সামনে আসতে চলেছে।” বিজয় মিশ্রের আইনজীবী সন্তোষ কুমার পাণ্ডে জানিয়েছেন, আদালতে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া গেলে এই মামলায় রাহুল গান্ধীর সর্বোচ্চ দু’বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।তিনি এএনআই-কে বলেন, ২০১৮ সালে কর্নাটক নির্বাচনের সময় বেঙ্গালুরুতে একটি সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধী অমিত শাহের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ।
২০১৮ সালের ৪ আগস্ট সুলতানপুরের এমপি/এমএলএ আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়। পরে আদালত রাহুল গান্ধীকে ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩-এ হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়। আইনজীবী আরও জানান, সোশ্যাল মিডিয়া এবং টেলিভিশনের খবরের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর বিজেপির তৎকালীন জেলা সহ-সভাপতি বিজয় মিশ্র অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজন সাক্ষীর বক্তব্যও নথিভুক্ত করা হয়।সন্তোষ কুমার পাণ্ডে বলেন, “পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া গেলে এই মামলায় রাহুল গান্ধীর সর্বোচ্চ দু’বছরের সাজা হতে পারে। তাঁকে আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিতে হবে। তিনি হাজির না হলে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।” তবে মামলায় আদালতের চূড়ান্ত রায় কী হবে, তা আদালতের সিদ্ধান্তের উপরই নির্ভর করছে।