সুস্মিত মজুমদার, নিজস্ব সংবাদদাতা: সামনেই কালীপূজা ও দীপাবলি। তার আগেই বাজি- এর শব্দ দূষণ ও পরিবেশ দূষণ কিভাবে রোধ করা যায় তা নিয়ে হয়ে গেল সাংবাদিক সম্মেলন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব সংঘমিত্রা ঘোষ, ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, সিপি কলকাতা অজয় কুমার নন্দা, ফায়ার ডিজি অনুজু শর্মা সহ বিভিন্ন দফতরের সচিব রয়েছেন। পরিবেশ দফতরের সচিব স্বরাষ্ট্র সচিব সংঘমিত্রা ঘোষ, ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা সিপি কলকাতা অজয় কুমার নন্দা। ফায়ার ডিজি অনুজু শর্মা। সহ বিভিন্ন দফতরের সচিব রয়েছেন। পরিবেশ দফতরের সচিব আছে।

বৈঠকে বলা হয়, গ্রিন ক্র্যাকার শুধু ব্যবহার করা যাবে । কালীপুজো ও দীপাবলিতে রাত ৮ টা থেকে ১০ টা কোর্টের অর্ডার আছে এই সময় এর মধ্যে বাজি পড়ানো যাবে । ছট পুজোর সময় সকাল ৬ টা থেকে সকাল ৮ টা বাজি পড়ানো যাবে । ফাঁকা জায়গায় বাজি বাজার করতে হবে। গ্রিন বাজি শুধু বিক্রি হবে ১২৫ ডেসিবেল হবে । শুধু আলোর বাজি হলে ৯০ ডেসিবেল হবে ।এছাড়া আরও বলা হয়, বাজি পোড়ানো হবে কিন্তু একটা সাইলেন্স জোন এ পোড়ানো যাবে না । হাসপাতাল,বৃদ্ধাশ্রম এই সব জায়গায় না পোড়ানো হয় আমরা ক্লাব গুলিকে অনুরোধ করছি। পুলিশের কন্ট্রোল রুম সবটাই থাকবে। যে ইন্সপেকশন হবে সোর্স পয়েন্ট গুলিতে,যেখানে তৈরি হয় আর বাজি বাজারের ওপর ও নজর দাড়ি থাকবে।
ডিজি
৫টা ফেজ থাকে বাজি বিক্রির। যেখানে তৈরি হচ্ছে আর যেখানে মজুত হচ্ছে সেই সব টা ফায়ার সার্ভিস এর গাইডলাইন মেনে করতে হবে । কেউ ভাঙলে আমরা সিজ করব। আরেস্ট করব। কেউ বেআইনি বাজি পোড়ালে আমরা সঙ্গে সঙ্গে বেবস্থা নেব। কন্ট্রোল রুমেও সাধারণ মানুষ জানাতে পারবে। সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে।