Lucknow, Jun 25 (ANI): Aam Aadmi Party (AAP) National Convener Arvind Kejriwal arrives at Chaudhary Charan Singh International Airport en route to Ayodhya to visit the Ram Mandir, in Lucknow on Thursday. AAP MP Sanjay Singh also present. (ANI Photo)
রামমন্দিরের অনুদানের অর্থ তছরুপের অভিযোগ ঘিরে যখন রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ই শুক্রবার অযোধ্যায় পৌঁছলেন আম আদমি পার্টির (আপ) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর এই সফর ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।

শুক্রবার সকালে দলের সাংসদ সঞ্জয় সিং এবং একাধিক কর্মী-সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে অযোধ্যায় পৌঁছন কেজরিওয়াল। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে দলের কর্মীদের বিজেপি-বিরোধী স্লোগান দিতেও দেখা যায়। পরে সাংবাদিকদের উদ্দেশে কেজরিওয়াল বলেন, ‘‘আমরা রামলালার দর্শনে যাচ্ছি।’’
শুধু তাই নয়, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদেরও তাঁর সঙ্গে রামমন্দিরে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান আপ প্রধান। তবে তাঁর এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক তাৎপর্য খুঁজতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহল। কারণ, সম্প্রতি রামমন্দিরে প্রাপ্ত অনুদানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশের রাজনীতি সরগরম হয়ে উঠেছে।
এই আবহেই শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক স্পষ্ট জানিয়েছেন, অনুদান কেলেঙ্কারিতে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘‘সরকার গোটা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের হয়েছে। তদন্তে যাঁরা দোষী প্রমাণিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।’’
অন্য দিকে, বিরোধীদের অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। দলের সাংসদ দীনেশ শর্মার দাবি, বিরোধীদের হাতে আর কোনও ইস্যু নেই বলেই তারা এই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করছে। তাঁর কথায়, ‘‘বিরোধীরা অভিযোগ তোলার আগেই মন্দির ট্রাস্ট নিজেই এফআইআর দায়ের করেছে। বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারের পদক্ষেপের চেয়ে বেশি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা আর হতে পারে না।’’
উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন অযোধ্যার রামমন্দিরে প্রাপ্ত অনুদানের অর্থ তছরুপের অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হয়। উত্তরপ্রদেশ সরকারের নির্দেশে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। তারও আগে, গত ১৪ জুন শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দির ট্রাস্টের আবেদনের ভিত্তিতে তিন সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে রাজ্য সরকার।