পারিবারিক অশান্তির জেরে এক গৃহবধূকে বটি দিয়ে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করার অভিযোগ উঠল তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার তারকনগর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায়। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্বজিত দেবনাথ, নিজস্ব সংবাদদাতা
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত স্বামীর নাম সমীর মজুমদার এবং মৃত গৃহবধূর নাম সুমিত্রা মজুমদার। তাঁদের দুটি সন্তান রয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন সকালে সুমিত্রা দেবী বাড়ি ছিলেন না। সেই সময় সমীর মজুমদার তার ছেলেকে বলে তার মাকে বাড়ি ডেকে নিয়ে আসতে। বাবার কথামতো ছেলে মাকে বাড়ি ডেকে নিয়ে আসে। এরপরই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও গন্ডগোল শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর ছেলে বাড়ি থেকে দূরে চলে গেলে, সমীর তার দুই সন্তানকে নিয়ে স্টেশনের দিকে এগোতে থাকে। স্টেশনের কাছে তার সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। সেই সময় সমীর নিজেই প্রতিবেশীদের জানায় যে সে তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে।খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা দ্রুত সমীরের বাড়িতে গিয়ে দেখেন, মাটির মেঝের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে সুমিত্রা মজুমদারের নিথর দেহ।

স্থানীয় মানুষজন তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত সমীর মজুমদারকে ধরে ফেলেন এবং খবর দেওয়া হয় কৃষ্ণগঞ্জ থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে।পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। ঠিক কী কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ।