গান্ধী জয়ন্তীর দিনই দেশের নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ফের বিক্ষোভের আঁচ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ২ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভে এখনও অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। অন্য দিকে, মুম্বইয়ে শিবাজি পার্কে একই দিনে কর্মসূচির অনুমতি না মেলায় ‘জেল ভরো আন্দোলন’-এর ডাক দিয়েছেন CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, যন্তর মন্তরে ২ অক্টোবরের প্রস্তাবিত জমায়েতের অনুমতি এখনও মঞ্জুর হয়নি। ভোটার তালিকার ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (SIR) এবং নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে সামাজিক কর্মী ও ছাত্র সংগঠনগুলির একাংশ এই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। বিক্ষোভের কথা মাথায় রেখে যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়া রাস্তাগুলিতে ব্যারিকেডও বসানো হয়েছে।
দিল্লির আপ সভাপতি সৌরভ ভরদ্বাজ ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষকে ওই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিরোধী দলগুলির আরও কিছু সংগঠনও এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারে অথবা পৃথক বিক্ষোভ করতে পারে বলে খবর।
অন্য দিকে, মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে CJP-র প্রস্তাবিত কর্মসূচিতেও অনুমতি মেলেনি। তবে মুম্বই পুলিশ জানিয়েছে, ২০১৩ সালের বম্বে হাই কোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতে শিবাজি পার্কে এমন জমায়েতের অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই। এলাকাটি ‘সাইলেন্স জ়োন’ বলেও উল্লেখ করেছে পুলিশ। আবেদনকারী অজিঙ্ক্য শিন্ডেকে বিকল্প জায়গা খুঁজে অনুমতির জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছিল।
এর পরেই ২ অক্টোবর বিকেল ৪টেয় ‘জেল ভরো আন্দোলন’-এর ঘোষণা করেন দীপকে। CJP আগে জানিয়েছিল, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে গান্ধী জয়ন্তী থেকেই মুম্বই থেকে দেশ জুড়ে আন্দোলন শুরু করা হবে।
ফলে একই দিনে দিল্লি ও মুম্বই—দুই শহরেই নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে প্রস্তাবিত কর্মসূচি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এখন নজর, শেষ পর্যন্ত দিল্লিতে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভের অনুমতি মেলে কি না এবং মুম্বইয়ে CJP-র ঘোষিত কর্মসূচি কী ভাবে এগোয়।