আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর শ্রেফ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর দায়িত্ব ছাড়তে পারছেন না তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই এবার ডানা ছাঁটা হল অভিষেকের। এক পদে দায়িত্বে আরও ২জন। সর্বভারতীয় সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে আরও ২জন। অভিষেকের সঙ্গে যুগ্ম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন দোলা সেন ও ডেরেক ও’ব্রায়েন।

নতুন কমিটি ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্য তৃণমূলের সভাপতি হয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। জাতীয় কর্মসমিতির সহ-সভাপতি পদে থাকছেন সুব্রত বক্সী।
রাজ্যে তৃণমূলের সহ-সভাপতি হয়েছেন সাজদা আহমেদ, মমতা ঠাকুর, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং স্বাতী খন্দকার।
রাজ্য সাধারণ সম্পাদক পদে এসেছেন বাবর আলি, পুলক রায়, অসীমা পাত্র, অরূপ বিশ্বাস এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।
দলের কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, ডা. রানা চট্টোপাধ্যায়, বিদেশ বোস, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত, তাপস চট্টোপাধ্যায়, বসুন্ধরা গোস্বামী এবং গৌতম দেব।
দলের শাখা সংগঠনকেও ঢেলে সাজিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল যুব কংগ্রেস (TMYC)-এর সভাপতি হিসেবে থাকছেন সায়নী ঘোষ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মধুরিমা ঠাকুর।
তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী পদে রাখা হয়েছে মালা রায়কে।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদে সভাপতি পদে এসেছেন প্রিয়াঙ্কা অধিকারী।
দলের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি মলয় ঘটক।
হকার্স সংগঠনের সভাপতি মদন মিত্র।
তৃণমূলের কৃষক সংগঠনের সভাপতি বেচারাম মান্না।
দলের ক্ষেতমজুর সংগঠনের সভাপতি পূর্ণেন্দু বসু।
তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি (SC/ST) সেলের সভাপতি করা হল বীরবাহা হাঁসদাকে।
তৃণমূলের মুখপাত্র হিসেবে থাকছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষ। এখন যাঁরা প্যানেলিস্ট আছেন, তাঁরাও দায়িত্বে বহাল থাকবেন।
দলের কোষাধ্যক্ষ নিযুক্ত করা হয়েছে শুভাশিষ চক্রবর্তীকে।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর একের পর এক নেতা ও হেভিওয়েটরা শ্রীঘরে যাচ্ছেন। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে তৃণমূলের সংগঠন। পুরসভার পদ থেকেও সরে দাঁড়াচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। এই পরিস্থিতিতে দলের কর্মকর্তাদের ঢেলে সাজাল নেতৃত্ব। এই বদল কি আদৌ কাজে আসবে, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।