বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : ক্যানিংয়ে মাতলা নদীর চরে তৈরি হওয়া চাঁদমুনি সেবাশ্রম নাকি অবৈধ, বেআইনি ভাবে তৈরি হয়েছে। শুধু বেআইনি ভাবে তৈরি নয়, বৃদ্ধাশ্রমের নামে নাকি রিসোর্ট তৈরি করা হয়েছে। যেখানে নানা ধরনের অবৈধ কাজকর্ম হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। কিভাবে মাতলা নদীর চরে সরকারি জায়গায় এই বৃদ্ধাশ্রম তৈরি হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

ইতিমধেই এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রশাসনিক মহলে তাঁরা লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আগামী ১৮ই জুন ক্যানিং মহকুমাশাসকের নির্দেশে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর বৃদ্ধাশ্রমের কাগজপত্র খতিয়ে দেখার জন্য শুনানির নির্দেশ দিয়েছে। সেই মোতাবেক বৃদ্ধাশ্রমে শনিবার বিকেলে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগেই এই বৃদ্ধাশ্রমের প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ২২ জন আবাসিক থাকেন এই চাঁদমুনি সেবাশ্রমে। বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের পাঁচশোর বেশি মানুষ প্রতি মাসে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বৃদ্ধাশ্রমে আর্থিক সাহায্য করেন বলে পরেশের।
বিজেপির অভিযোগ বৃদ্ধাশ্রমের নামে এখানে প্রমোদ ভবন তৈরি করা হয়েছে। কয়েকজন বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের এখানে রাখার নামে অনেক অনৈতিক কাজ এখানে করা হয়। বিধায়কের নির্দেশে এক মাতলা নদীর চর বেআইনি ভাবে দখল করে একদিকে যেমন এই বৃদ্ধাশ্রম তৈরি করা হয়েছে, তেমনি এর ঠিক উল্টোদিকে প্লটিং করে নদীর চর বিক্রি করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশিকা মেনে, আইনি ভাবেই এই বৃদ্ধাশ্রম তৈরি হয়েছে বলে দাবি ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাসের। শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্যই এই অভিযোগ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শুধুমাত্র বৃদ্ধাশ্রমেই নয়, উল্টোদিকে নদীর চরে গড়ে ওঠা বাড়ি গুলিতেও নোটিশ দেওয়া হয়েছে সরকারি ভাবে। সকলকেই আগামী ১৮ই জুন শুনানিতে হাজির থাকার জন্য বলা হয়েছে।