বিশ্বজিত নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা: কলকাতার জোড়াবাগান (বা চোরবাগান) সর্বজনীন দুর্গোৎসবের মহাপ্রতিমা দর্শন ও সপ্তমীর সন্ধ্যার মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর ১১ গ্রাম (সাতগাছিয়া বিধানসভা এলাকার বিদ্যানগর কলেজ সংলগ্ন অঞ্চল) নিবাসী মেধাবী ছাত্রী স্নেহা ভান্ডারী-র আকস্মিক প্রয়াণের ঘটনায় গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই শোকস্তব্ধ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এবং সমবেদনা জানাতে শনিবার সন্ধ্যায় খোদ মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী সশরীরে স্নেহা ভান্ডারীর বাড়িতে উপস্থিত হন।

শনিবার সন্ধ্যায় বিদ্যানগর কলেজ সংলগ্ন স্নেহার বাড়িতে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী শোকার্ত পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের গভীর সমবেদনা জানান। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় রাজ্য সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, নিহতের পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই ধরনের অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ ও ত্রুটি খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায় থেকে উপযুক্ত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। পরিবারের বর্তমান করুণ চিত্র ও বেদনাদায়ক পরিবেশ মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকালীন সময়ে স্নেহাদের বাড়িতে এক হৃদয়বিদারক ও ভারী পরিবেশের সৃষ্টি হয়।বাবার ভাঙা হৃদয় শোকে ও কন্যা হারানোর ব্যথায় পাথর হয়ে যাওয়া বাবা শক্তি ভান্ডারী ঘরের জানালার ধারে একা দাঁড়িয়ে নীরবে চোখের জল ফেলছেন। মেয়ের আকস্মিক বিদায় তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না।

স্নেহার বোন নেহা ভান্ডারী ও মা সোমা ভান্ডারী বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। পরিবারের এই সুকঠিন ও অন্ধকার সময়ে ছোট ভাই সমাদ্রি ভান্ডারীও বাকরুদ্ধ ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। সপ্তমীর পুজোর আনন্দ মুহূর্তে বিষাদে বদলে যাওয়ায় গোটা বিষ্ণুপুর ও সাতগাছিয়া এলাক জুড়েই এখন শোকের ছায়া চলছে। রাজ্য সরকারে