বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করছে। শক্তি বৃদ্ধির জেরে সেটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে এবং ধীরে ধীরে স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী, উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছনোর আগে নিম্নচাপটির গতিপথে পরিবর্তন আসতে পারে। এরপর অনুকূল পরিস্থিতি পেলে আরও শক্তিশালী হয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে সেটি ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেবে কি না, তা নির্ভর করছে সমুদ্রের উপর তৈরি হওয়া আবহাওয়াগত পরিস্থিতির উপর।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক
সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে ‘অর্ণব’। তবে ঝড়টি শেষ পর্যন্ত কোন উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে, তা নিয়ে এখনও কৌতূহল রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে এর কোনও প্রভাব পড়বে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। শেষ মুহূর্তে ঝড়ের গতিপথ বদলে বাংলার দিকে এগিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে কি না, তা জানতে পরবর্তী আবহাওয়া পূর্বাভাসের দিকে নজর রাখা জরুরি। বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপের গতিপ্রকৃতির দিকে নজর রাখছে আবহাওয়া দপ্তর। পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থান করছে এই নিম্নচাপ। ঘণ্টায় প্রায় ৮ কিলোমিটার গতিতে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এগিয়েছে সেটি।
আবহাওয়াবিদদের প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দিনে এর গতিপথে পরিবর্তন আসতে পারে। প্রথম পর্যায়ে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে গভীর নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর সেটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে বাঁক নিতে পারে। এই দিক পরিবর্তনের সময় সমুদ্রের উপর অনুকূল পরিস্থিতি পেলে আরও শক্তি সঞ্চয় করতে পারে নিম্নচাপটি। তখনই সেটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম রাখা হয়েছে ‘অর্ণব’। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সব পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সোমবার সকালে বঙ্গোপসাগরের উপর ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত নিম্নচাপটি কতটা শক্তিশালী হবে এবং কোন পথে এগোবে, তা পরবর্তী আবহাওয়া বুলেটিনের উপর নির্ভর করছে।