স্বাধীনতার ৭৯ বছর অতিক্রান্ত। বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এগোচ্ছে দেশ। সেই পরিস্থিতিতে সামনে এলো লজ্জার ছবি। ব্লক থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে ব্লক পাড়ায় নেই রাস্তা। খাটিয়াতে করে নিয়ে যেতে হচ্ছে রোগীকে। সামাজিক মাধ্যমে ছবি সামনে আসতেই শোরগোল। প্রশাসন এবং জন-প্রতিনিধিদের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

মালদা: স্বাধীনতার ৭৯ বছর অতিক্রান্ত।বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এগোচ্ছে দেশ।সেই পরিস্থিতিতেই মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নং ব্লক সংলগ্ন ব্লক পাড়াতে সামনে এলো লজ্জার ছবি। রাস্তা না থাকায় খাটিয়াতে করে নিয়ে যেতে হচ্ছে রোগীকে।সামাজিক মাধ্যমে এই ছবি সামনে আসতেই নিন্দার ঝড়। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। একে অপরকে দোষারোপ করছে রাজনৈতিক দলগুলি। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নং ব্লকের উল্টোদিকেই ব্লক পাড়া। যে পাড়াতে প্রায় একশো পরিবারের বসবাস। কিন্তু ওই এলাকায় ঢোকার কোন রাস্তা নেই।এক সময় রাস্তা ছিল।সেই রাস্তা কার্যত পুকুরের গ্রাসে। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ভোগান্তির সম্মুখীন এলাকার মানুষ। না ঢুকতে পারে অ্যাম্বুলেন্স না দমকল। সাইকেল বা মোটরবাইক নিয়ে যেতে গিয়েও ঘটে দুর্ঘটনা। সন্ধ্যার পর কার্যত পায়ে হেঁটে চলাচল করাও বিপদজনক। একাধিকবার ব্লক প্রশাসন থেকে শুরু করে জন-প্রতিনিধিদের কাছে রাস্তার দাবী জানিয়েছে এলাকার মানুষ।ভোট এলেই মিলেছে প্রতিশ্রুতিও।কিন্তু হয়নি কাজ। প্রসূতি থেকে শুরু করে রোগীদের নিয়ে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় স্থানীয়দের। সাম্প্রতিক এক রোগীকে খাটিয়াতে করে ঘাড়ে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয়রা। এমনটাই ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে।
স্থানীয় বাসিন্দারা কার্যত প্রশাসন এবং জন-প্রতিনিধিদের ভূমিকায় ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন।যেখানে ব্লক থেকে ঢিল ছুড়া দূরত্ব ওই এলাকা। সেখানে কি বিডিওর নজর পড়ছে না। উঠেছে প্রশ্ন?স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান রাস্তার আশ্বাস দিয়ে প্রাক্তন তৃনমূল বিধায়ক তাজমুল হোসেন কে তোপ দেগেছেন। অন্যদিকে শাসক শিবির এই নিয়ে বিগত তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে। আবার সিপিআইএমের দাবি তৃণমূল থেকে ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রত্যেকেই ব্যর্থ। যদিও রাজনৈতিক এই তরজার মধ্যে চাপা পড়ে গেছে এলাকার মানুষের দুর্দশা।