সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ রয়েছে এক মামলায়। চাকরি দুর্নীতির মামলাতেও মিলেছে হাইকোর্টের সুরক্ষা। তবু স্বস্তি নেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের। কারণ, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া আরও চারটি পৃথক এফআইআরে গ্রেফতারির আশঙ্কা এড়াতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। কিন্তু সেখানেও মিলল না তাৎক্ষণিক স্বস্তি।

শুক্রবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদন জানান সুমিতের আইনজীবী। তবে সেই আবেদন খারিজ করে বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নির্ধারিত তালিকা মেনেই মামলার শুনানি হবে। ফলে আপাতত ওই চার মামলায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পেলেন না তিনি।
বর্তমানে সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে সিআইডি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। তাঁকে খুঁজতে যৌথভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে সিআইডি এবং রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। যদিও শালবনির জমি কেলেঙ্কারি মামলায় তদন্তে সহযোগিতার শর্তে পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার না করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি চাকরি দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলাতেও আগে থেকেই হাইকোর্টের রক্ষাকবচ রয়েছে তাঁর।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সরকারি জমি দখল করে পেট্রোল পাম্প, হোটেল-সহ একাধিক বাণিজ্যিক প্রকল্প গড়ে তোলার অভিযোগে সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে চারটি পৃথক এফআইআর দায়ের হয়েছে। সেই সব মামলাতেই আগাম আইনি সুরক্ষা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।
এদিকে তদন্তের স্বার্থে বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি জোরদার করেছে সিআইডি। আইনি মহলের একাংশের মতে, একের পর এক মামলায় আদালতের রক্ষাকবচ চেয়ে কার্যত বহুস্তরীয় আইনি লড়াইয়ের কৌশল নিয়েছেন সুমিত। তবে শুক্রবারের শুনানিতে জরুরি আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় তাঁর আইনি লড়াইয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হল।