সুপ্রিয় বসাক, নিজস্ব সংবাদদাতা: বিজয়া দশমীর পুণ্যলগ্নে দেবী প্রতিমা নিরঞ্জনকে কেন্দ্র করে বিসর্জন ঘাটে উত্তেজনা।প্রতিমা বিসর্জনের প্রাচীন নিয়ম ও ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করা নিয়ে ধূপগুড়ি শহরের বিধান রোড মহিলা পরিচালিত পুজো কমিটির সদস্যদের সাথে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের তুমুল বচসা বাধে।ঘটনার জেরে বেশ কয়েক মিনিটের জন্য ঘাটে প্রতিমা বিসর্জন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়।

জানা যায়,দশমীর সন্ধ্যায় ধূপগুড়ি ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভাওয়াল পাড়ার গিলান্ডী নদীতে ওই পুজো কমিটির সদস্যরা প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য বিসর্জন ঘাটে পৌঁছান। নিয়ম অনুযায়ী,উদ্যোক্তারা নদীতে বিসর্জনের আগে দেবীবরণ শেষে প্রতিমাটিকে সাতপাক ঘোরানোর তোড়জোড় করছিলেন।পুজো কমিটির অভিযোগ প্রতিমা বিসর্জনের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা প্রতিমাকে সাতপাক ঘোরাতে পারবেন না বলে জানান।সেই সময়ে ঘাটে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদের সাথে পুজো কমিটির বচসা লেগে যায়।পুলিশ আধিকারিকরা তাদের বিষয়টি বিসর্জনের ঘাটের অফিসে গিয়ে কথা বলার জন্য বলেন।কিন্ত তারা অফিসে কথা বলতে না গিয়ে পুলিশের সাথে বচসা জড়িয়ে পড়ে।দুই পুলিশ আধিকারিকের সাথে তাদের তুমুল বচসা বেধে যায়।এরপর বিজেপি নেতা কৃষ্ণদেব রায় ছুটে এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।তিনি পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের সাথে কথা বলে সমস্যার সমাধান করেন।

পুজো কমিটির এক সদস্য বলেন কোনো নিয়ম পালন করা হচ্ছে না।এখানে ধাক্কা দিয়ে প্রতিমা নদীতে ফেলে দেওয়া হচ্ছে।আমরা সাতপাক ঘোরানোর কথা বললে তারা ঘোরাতে অস্বীকার করে।এদিকে বিষয়টি নিয়ে বিজেপি নেতা বলেন ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে।এখানে সুষ্ঠ ভাবে প্রতিমা বিসর্জনের কাজ চলছে।সমস্ত নিয়মকানুন মেনেই পুজো কমিটি তাদের প্রতিমা বিসর্জন দিচ্ছে। প্রসঙ্গত এবার ক্রেনের সাহায্যে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ আছে।তার পরিবর্তে কাঠের র্যাম্প বানানো হয়েছে।সেখানে প্রতিমা নামিয়ে এরপর নদীতে বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে।