বিমল এলাইচির বিজ্ঞাপন করে কি আড়ালে নিষিদ্ধ পানমশলার প্রচার করেছেন শাহরুখ খান, অজয় দেবগণ এবং টাইগার শ্রফ? এই অভিযোগে তিন বলিউড তারকার বিরুদ্ধে শোকজ নোটিস জারি করেছিল মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ামক সংস্থা (এফডিএ)। এ বার সেই মামলার তদন্ত ও শুনানির প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ করল সংস্থা। তিন অভিনেতার বিরুদ্ধে চলা মামলা এ বার গড়াচ্ছে পরবর্তী আইনি পর্যায়ে। আগামী সপ্তাহেই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের এফডিএ কমিশনার তুকারাম মুন্ধে।

শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে মুন্ধে জানান, তিন অভিনেতাই তাঁদের পাঠানো শোকজ নোটিসের জবাব দিয়েছেন। শুনানির জন্য সময় চেয়েছিলেন তাঁরা। সেই আবেদন মঞ্জুরও করা হয়েছিল। মুন্ধের কথায়, ‘‘তিন অভিনেতার বিরুদ্ধেই প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এ বার সংশ্লিষ্ট আধিকারিক মামলাটি যুগ্ম কমিশনারের কাছে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনিই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ।’’ তিন অভিনেতার মধ্যে এক জন বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলেও জানান তিনি। সেই অভিনেতার নাম জানতে চাওয়া হলে মুন্ধে স্পষ্ট করেন, তিনি অজয় দেবগণ।
উল্লেখ্য, গত অগস্টে তিন অভিনেতাকে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছিল মহারাষ্ট্রের এফডিএ। অভিযোগ, বিমল এলাইচির বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আসলে মহারাষ্ট্রে নিষিদ্ধ বিমল পানমশলার প্রচার করা হচ্ছে। অজয়ের দাবি, তিনি আর ওই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত নন। তাই তাঁকে এই মামলার প্রক্রিয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া উচিত। এফডিএ-র নোটিসকে স্বেচ্ছাচারী বলে চ্যালেঞ্জ করেছেন তিনি। পাশাপাশি, খাদ্য সুরক্ষা বিধির সংশ্লিষ্ট ধারাগুলির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
আগামী ৪ নভেম্বর অজয়ের আবেদনের শুনানি হতে পারে বম্বে হাই কোর্টে। এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাই কোর্ট এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে চায়নি। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, মহারাষ্ট্রের আদালতই এই মামলার শুনানির উপযুক্ত জায়গা। সেই কারণেই বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অজয়।