বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি আজ বারুইপুর বিডিও অফিসের সামনে একযোগে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন আইসিডিএস কর্মীরা। মূলত কাজের চাপ ও বকেয়া পাওনা মেটানোর দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁরা। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই বিক্ষোভে কর্মীদের ক্ষোভ ছিল তুঙ্গে।

বিক্ষোভের মূল কারণ ও দাবিগুলো হলো:
রিচার্জ ও ফোনের খরচ: কর্মীদের অভিযোগ, সরকারি কাজের জন্য যে ফোন দেওয়া হয়েছে, তার রিচার্জের খরচ নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে না। কর্মীদের দাবি, বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী সিম কার্ডের খরচ ও রিচার্জের টাকা অবিলম্বে প্রদান করতে হবে।
জ্বালানি বিলের বকেয়া: এপ্রিল ও মে মাসের জ্বালানি বিল এখনো মেটানো হয়নি বলে অভিযোগ। আইসিডিএস কর্মীরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ১৫ জুনের মধ্যে এই বকেয়া বিল মিটিয়ে দেওয়া না হলে, তাঁরা কেন্দ্রের এসএনপি (SNP) পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেবেন।
অতিরিক্ত কাজের চাপ: আইসিডিএস কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের নির্ধারিত কাজের বাইরেও অন্নপূর্ণা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারতের মতো বিভিন্ন প্রকল্পের অতিরিক্ত কাজের দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যার জন্য তাঁরা কোনো বাড়তি পারিশ্রমিক পান না।
কাজের সময়সীমা: কর্মীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারের নির্ধারিত ৪ ঘণ্টার বাইরে কোনো অতিরিক্ত কাজ করা তাঁদের পক্ষে আর সম্ভব নয়।
বিক্ষোভকারী কর্মীদের কথায়, “আমরা আইসিডিএস প্রকল্পের নির্ধারিত কাজগুলো সততার সঙ্গেই করছি। কিন্তু ফোনের খরচ বা জ্বালানি বিলের মতো ছোটখাটো পাওনাগুলো মেটাতে গড়িমসি করায় আমাদের সমস্যা হচ্ছে। এর ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ আমাদের নাজেহাল করে তুলেছে।”
বারুইপুর বিডিও অফিসের সামনে আজকের এই বিক্ষোভের জেরে প্রশাসনিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কর্মীদের এই দাবিগুলো কতটা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে এবং পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।গুলো কতটা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে এবং পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।