New Delhi, Oct 07 (ANI): AISA National President Neha Bora, CJP Chief spokesperson Sourabh Das, CJP legal affairs head Ratna Singh, ASAP representative Eeshna Gupta and SFI representative Adarsh Saji during a joint press conference at the Press Club of India, in New Delhi on Wednesday. (ANI Photo)
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ফের দিল্লির রাস্তায় নামার হুঁশিয়ারি দিল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)। আগামী ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভের কথা জানিয়ে বুধবার দিল্লি পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি জমা দিলেন দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস। তাঁর দাবি, এই কর্মসূচি শুধু দলের নয়, দেশের যুব সমাজের আন্দোলন।

বুধবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় গিয়ে বিক্ষোভের কথা জানিয়ে চিঠি দেন সৌরভ। পুলিশ সেই চিঠি গ্রহণ করেছে এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি। সৌরভের কথায়, যন্তর মন্তরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুবকেরা জমায়েত হবেন। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত বিক্ষোভের মূল বিষয় ভোটার তালিকা ও নির্বাচন প্রক্রিয়া। সৌরভের অভিযোগ, দেশে ‘ভোট চুরি’ এবং নির্বাচন ‘হাইজ্যাক’ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, নতুন প্রজন্মের ভোটারদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রেও নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ হচ্ছে।
সৌরভ বলেন, ‘‘দেশের যুব সমাজ একটি বড় সমস্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ভোট চুরি, নির্বাচন হাইজ্যাক এবং জেন-জি-কে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করার মতো বিষয় তাঁদের ভবিষ্যৎ এবং দেশের ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত।’’ তাঁর আরও দাবি, এই কারণেই যুবকেরা ফের রাস্তায় নামছেন।
জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন CJP মুখপাত্র। তাঁর বক্তব্য, ‘‘জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা না দেওয়া পর্যন্ত আমরা রাস্তা ছাড়ব না।’’
১০ অক্টোবরের কর্মসূচিকে কেবল CJP-র রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখতে নারাজ সৌরভ। তাঁর দাবি, এটি মূলত জেন-জি এবং দেশের যুব সমাজের প্রতিবাদ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণদের দিল্লিতে এসে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বিক্ষোভের স্লোগান —‘চলো দিল্লি’।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিরোধী রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠনের আন্দোলন চলছে। সেই আবহেই ১০ অক্টোবরের কর্মসূচিকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।