ঘূর্ণিঝড়ের সময় মৎস্যজীবীদের সুরক্ষার জন্য প্রশাসন ও আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জরুরি নির্দেশিকা ও সতর্কতা জারি করা হয়। সাধারণত এই ধরনের সতর্কতা নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলোর ওপর জোর দেয়:

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক
১. সমুদ্রে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা (Fishing Ban)
গভীর সমুদ্রে যাত্রা নিষিদ্ধ: ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির পূর্বাভাস পেলেই মৎস্যজীবীদের বঙ্গোপসাগর বা আরব সাগরের গভীর জলে মাছ ধরতে যাওয়ার ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
উপকূলে ফেরার নির্দেশ: ইতিমধ্যেই যারা গভীর সমুদ্রে অবস্থান করছেন, তাঁদের একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিরাপদে উপকূলে বা নিকটবর্তী বন্দরে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়।
২. উপকূলভিত্তিক নজরদারি ও মাইকিং (Announcements & Vigilance)
সতর্কতামূলক প্রচার: উপকূলীয় থানা ও কোস্ট গার্ডের (Coast Guard) যৌথ উদ্যোগে মাইক বাজিয়ে সমস্ত মৎস্যজীবী এবং উপকূলবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়।
জেটি ও বন্দরে লাল পতাকা: সমুদ্র উত্তাল থাকার সতর্কবার্তা দিতে বিভিন্ন মৎস্য বন্দর ও জেটিতে লাল পতাকা বা সতর্কতামূলক সংকেত টাঙিয়ে দেওয়া হয়।
৩. বোট ও ট্রলার নিরাপদে বাঁধার নির্দেশ
ট্রলার নোঙর: সব ধরনের মাছ ধরার বোট, ট্রলার ও ডিঙি নিরাপদ খাঁড়ি (Creek) বা মৎস্য বন্দরে শক্ত দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে উত্তাল ঢেউয়ে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত বা ভেসে না যায়।
সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়া: জাল ও জরুরি যন্ত্রপাতি উচ্চতর স্থানে বা নিরাপদ গুদামে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
৪. বার্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা (Communication System)
স্যাটেলাইট/রেডিও সতর্কবার্তা: সমুদ্রে থাকা ট্রলারগুলোতে স্যাটেলাইট ফোন, VHF রেডিও এবং ভিএইচএফ চ্যানেল (VHF Channel)-এর মাধ্যমে আবহাওয়ার রিয়েল-টাইম তথ্য এবং সংকেত পাঠানো হয়।
কন্ট্রোল রুম সক্রিয়করণ: জেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে ২৪-ঘণ্টা খোলা থাকে এমন কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়।
৫. উদ্ধারকাজের প্রস্তুতি (Search & Rescue Preparedness)
কোস্ট গার্ড ও এনডিআরএফ (NDRF): বঙ্গোপসাগর বা দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় কোস্ট গার্ড, মেরিন পুলিশ এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী প্রস্তুত রা