সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ চলতি বছর লাগাতার বৃষ্টি হয়েই চলেছে। বর্ষা বিদায়ের সময়েও তার বিরাম নেই। তবে এবার পুজোরা আনন্দকে মাটি করতে চলেছে বৃষ্টি এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

রবিবার মহালয়া আর সেইদিন থেকেই বঙ্গে শুরু হতে চলেছে বৃষ্টির চোখ রাঙানি। এর পাশাপাশি ষষ্ঠীর দু’দিন আগেই নতুন করে নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে বঙ্গোপসাগরে। তার প্রভাব পড়বে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও। ফলে দুর্গাপুজোয় বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আগামী দু’দিন বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে মহালয়ায় দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।মহালয়ার পর সোমবার ও মঙ্গলবার সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা।
পঞ্চমী, ষষ্ঠী এবং সপ্তমী কলকাতায় মূলত মেঘলা আকাশ থাকবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯ থেকে ৩২ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। কয়েক পশলা বৃষ্টি হতে পারে কোথাও কোথাও। অষ্টমী, নবমী এবং দশমী বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা বাড়বে। ২ তারিখ তুলনামূলক বেশি বৃষ্টি হতে পারে।

শনিবারও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকদের তরফে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও রয়েছে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এই মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত বাতাসের উপরিভাগে একটি নিম্নচাপরেখা সক্রিয় রয়েছে। তার প্রভাবে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে। এর পাশাপাশি সক্রিয় রয়েছে আরও এক ঘূর্ণাবর্ত।
দক্ষিণবঙ্গে আগামী ২৬ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। ঘূর্ণাবর্তের জেরে ২৩ তারিখে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আলিপুর আবহাত্তয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হাবিবুর রহমান বিশ্বাস বলেন, “সমুদ্রে আগেই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছিল ৷ এখন তা পূর্ব-বিহার এবং তৎসংলগ্ন অঞ্চলের ওপরে রয়েছে ৷ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঘূর্ণাবর্তটি এখন দেড় কিলোমিটার উঁচুতে ৷ মূলত এর প্রভাবেই বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে ৷ তার ফলে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে।”