বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং তার ফলে পরীক্ষা বাতিল বা অনিশ্চয়তার প্রতিবাদে এবার সরব কংগ্রেস। দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতির পর যখন পরীক্ষা বাতিল হয়ে যায়, তখন ছাত্রছাত্রীরা যে চরম মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। বারংবার এমন ঘটনা ঘটলে তাদের আত্মবিশ্বাস ও ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক।

ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা: নেট (NET) পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে অনেকের গবেষণা বা অধ্যাপনার ক্যারিয়ার দাঁড়িয়ে থাকে। পরীক্ষা বারংবার পিছিয়ে যাওয়ার ফলে সেই ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা লাগছে। এত বড় মাপের জাতীয় স্তরের পরীক্ষায় বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটা সরকারি ব্যবস্থাপনা এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে।
বারুইপুরের জেলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই পরিস্থিতির নিন্দা জানানো হয়েছে। এটি গণতন্ত্রের একটি অংশ। যখনই কোনো সরকারি ব্যবস্থায় বড় ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়, তখন বিরোধী দল বা সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন। প্রশাসনের কাছে একগুচ্ছ দাবি রেখেছে তারা।
১. স্বচ্ছতার দাবি: পরীক্ষা প্রক্রিয়ার প্রতিটি স্তরে কড়া নজরদারি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি।
২. দোষীদের শাস্তি: প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে যারা যুক্ত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি।
৩. ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতিপূরণ: বারবার পরীক্ষা দেওয়ার কারণে ছাত্রছাত্রীদের যে সময় ও আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, তার দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে।
এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, ছাত্রছাত্রীদের মনোবল ধরে রাখার জন্য শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিবাদই যথেষ্ট নয়; বরং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে, তার জন্য কঠোর আইনি সুরক্ষা বলয় তৈরি করা এখন সবচেয়ে বেশি জরুরি।
আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা কংগ্রেস এর বারুইপুরের অফিসে এই সাংবাদিক বৈঠকের পাশাপাশি বাড়িপুর পূর্ব বিধানসভার নবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে বেশ কয়েকজন আইএসএফ কর্মী কংগ্রেসে যোগদান করে। কংগ্রেসের নেতারা তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন ।