নাজিয়া রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধি: জীবনশিক্ষাকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে ইংরেজি ভাষায় শ্রীচৈতন্যদেবের কাহিনী। বিশিষ্ট পুরাণবিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ীর লেখা ‘চৈতন্যদেব’ গ্রন্থের করা হল ইংরেজি অনুবাদ। বিশ্ববাসীরকাছে মহাপ্রভুর মহিমাকে পৌঁছে দিতে এ এক অন্যন্য প্রয়াস।
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জীবন ও শিক্ষা নিয়ে বাংলাভাষায় একাধিক পুস্তক রয়েছে।এর পাশাপাশি চৈতন্য মহাপ্রভুর উপর ভিত্তি করে তৈরি গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্ম এবং সংশ্লিষ্ট লেখালেখি ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়েছে। শ্রীচৈতন্যের মহিমা, মহাপ্রভুর জীবনশিক্ষাকে বিশ্ববাসীর কাছে আরও এবার তুলে ধরতে প্রকাশিত হল বিশিষ্ট পুরাণবিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ীর লেখা ‘চৈতন্যদেব’ গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ।

বিশ্বজুড়ে এক অস্থির পরিস্থিতি। চলছে ক্ষমতায়ন প্রয়োগ। বর্তমান পরিস্থিতিকে এককথায় ঘোর কলিযুগ বলে ব্যাখ্যা করা হয়। আর এই যুগে বিশ্ব মানবজাতীর কাছে ইংরেজি ভাষায় চৈতন্যদেব’ গ্রন্থের অনুবাদ করে শ্রীচৈতন্যদেবের ভক্তি ও প্রেমের ধারাকে আরও একবার পৌঁছে দিলেন পুরাণবিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী। শ্রীচৈতন্যদেব সমগ্র মানবজাতির জন্য ভক্তি ও প্রেমের এক নতুন ধারা প্রবর্তন করেছিলেন।মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা স্থাপনই ছিল তাঁর শিক্ষার মূল ভিত্তি।

শ্রীচৈতন্যদেব শুধু অবতার নয়, বরং স্বয়ং ভগবান কৃষ্ণ এবং রাধারানীর মিলিত রূপ। তাই একাধারে তাঁর মধ্যে কৃষ্ণের রূপ ও গুণাবলী যেমন বিদ্যমান ছিল তেমনি অন্যদিকে রাধারানীর মতো কৃষ্ণের প্রতি গভীর প্রেমও বিরাজমান ছিল। পাশাপাশি চৈতন্যদেব মানুষের প্রতি মানুষের বিদ্বেষ দূর করতে সহায়তা করেছিলেন। তিনি সকল মানুষের জন্য মুক্তির পথ উন্মুক্ত করেছিলেন। তাঁর বাণী সর্বদা পথপ্রদর্শক হিসেবে ভক্তদের সহায়তা করে চলে। আবারও একবার চৈতন্যদের মাহাত্ম্য বিশ্ব মানবজাতির কাছে পৌঁছে দিতে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করা হল পুরাণবিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ীর ‘চৈতন্যদেব’ গ্রন্থটি। বইটির ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন উপমন্যু মজুমদার।